৮ই আশ্বিন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, বিকাল ৫:৩৬

মশার যন্ত্রণায় নগরবাসি

প্রাইমনারায়ণগঞ্জ.কম

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে। এতে করে মানুষ মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে পরছে। তবে কতৃপক্ষের দাবী সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে মশক নিধন টিম কাজ করছে। কিন্তু নগরবাসি তাতেও যেন ফল পাচ্ছে না। বিশেষ করে শহরের র‌্যালী বাগান, আমলাপাড়া, চাষাঢ়া, গলাচিপা, জামতলা, মাসদাইর, সিদ্ধিরগঞ্জ এবং বন্দর সহ নাসিকের বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব বেশি বলে জানিয়েছেন এসব এলাকার বাসিন্দারা। মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা করতে নাগরিকদের সচেতন করে যাচ্ছে নাসিক।

এদিকে নগরবাসি জানান, এই বছরের মে মাসে নাসিকের বিশেষ মশক নিধন টিমের মাধ্যমে মশার ওষুধ স্প্রে করেন। কিন্তু তা আগষ্ট মাস পর্যন্ত চলে। প্রায় ৩ মাস যাবৎ তা দেয়া হচ্ছে না। প্রতিদিন সকাল বিকেল নগরীতে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশার ওষুধ ছিটানো হতো। যা এখন আর দেখা যায় না। প্রতিটি ওয়ার্ডে মশক নিধন টিম থাকলেও তা যেন কাজে আসছে না।

নগরীর বাসিন্দা পলাশ বলেন, করোনার সময় নারায়গঞ্জ সিটি করপোরেশনের একটি টিমকে প্রতিদিন মশক নিধন ঔষধ দিতে দেখতাম কিন্তু তা হঠাৎ করে কেন বন্ধ হয়ে গেল জানি না। তারা বন্ধ করে দিয়েছে কিনা তা নাসিকের লোকজন বলতে পারবে। তবে তারা যখন মশক নিধন ওষুধ স্প্রে করতো তখন মশার উপদ্রব কিছুটা কম ছিলো। এখন অনেক বেড়ে গেছে। মশার যন্ত্রণায় ঘরে থাকা দায় হয়ে পড়ছে।  

র‌্যালী বাগান এলাকার ব্যবসায়ী আলমগীর বলেন, এই এলাকায় ড্রেনের ময়লার স্তুপে অনেক মশা উৎপাদন হয়। মশার যন্ত্রণায় আমরা বসতে পারি না। সিটি করপোরেশন হতে প্রতিদিন মশক নিধন ওষুধ স্প্রে করার ব্যবস্থা থাকলে ভালো হত। আমার জানা মতে, মশক নিধনে নাসিকের আলাদা বাজেট থাকে। তাহলে তারা চাইলে প্রতিদিন একটা টিমের মাধ্যমে ফগার মেশিন অথবা স্প্রে করে মশার ঔষধ প্রয়োগ করতে পারে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনরে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল আমিনের ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেন নাই।

বাছাইকৃত সংবাদ

No posts found.