
প্রাইম নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনার অসংখ্য স্তুপ সৃষ্টি হয়ে আছে। পঁচাগলা ময়লা-আবর্জনা জমে অকার্যকর হয়ে পড়ে থাকায় ড্রেন ও ময়লা ফেলার স্থানগুলো এখন মশা উৎপাদনের খামারে পরিনত হয়েছে। একইসাথে দিন-রাত সার্বক্ষণিক সেখান থেকে পঁচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে এলাকার পরিবেশ দুষিত হচ্ছে।
তাছাড়া বেশ কিছুদিন যাবৎ সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধনের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ছে না বলে জানান বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। ফলে উপদ্রব ভয়ানক হারে বেড়ে যাওয়ায় মশার কাঁমড়ে রাতে ঘুমাতে পারছেন না নগর এলাকার মানুষ। এতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলেও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসছে না বলেও মনে করে নগরবাসী। তবে নাসিক বলছে, দুদিনের মধ্যেই আরো বেশী জনবল দিয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু হবে।
নগরবাসীর মতে, করোনার কারণে অন্য সকল কার্যক্রমের সাথে সাথে নাসিকের মশক নিধন কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া শীতকালে এমনিতেই মশার উপদ্রব বেশী থাকে। সব মিলিয়ে নগরীতে এখন মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে নগরবাসীরা। আর তাই এ থেকে পরিত্রাণ পেতে নাসিক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় কমপক্ষে ২-৪টি ময়লার স্তুপ রয়েছে। অধিকাংশ ময়লা ফেলার স্থান থেকে দিনের শুরুতে ময়লা নিয়ে যায় সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ। তবে কিছু কিছু স্থানের স্তুপ থেকে ময়লা সরানো হয় না। সে স্থানগুলোতেই মূলত মশার উপদ্রব বেশী থাকে।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা আলমগীর হিরণ প্রাইম নারায়ণগঞ্জকে জানান, আগামী ২ দিনের মধ্যে আগের চেয়ে বেশী জনবলের মাধ্যমে প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম চলবে।
তিনি আরো বলেন, মাঝে করোনার জন্য কিছুদিন ফগার মেশিনের কার্যক্রম বন্ধ ছিলো। তবে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ফগার মেশিন দিয়ে প্রতিটি পাড়া- মহল্লায় মশক নিধন করা হবে।
No posts found.