৯ই আশ্বিন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, রাত ১১:২০

অযথাই ঘুরাফেরা করে!

প্রাইমনারায়ণগঞ্জ.কম

বেড়েই চলেছে করোনায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা। ভাইরাসটির সংক্রমণ কমাতে বারংবার বলা হয়েছে অযথা বাইরে ঘুরাঘুরি না করতে কিংবা বের হলেও সুরক্ষা সামগ্রী পরে বের হওয়ায় জন্য।

তবে বর্তমান চিত্র অনেক ভয়াবহ। কিছু মানুষ প্রয়োজন ছাড়াই শহরের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দাবড়ে বেড়াচ্ছে। রাস্তা থেকে শুরু করে শপিংমলসহ বিভিন্ন স্থানে অযথাই ঘুরাফেরা করতে দেখা যায় এসকল অসচেতন মানুষগুলোকে।করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে পুরো জেলাকে লকডাউন করেছিলো সরকার।

এ ঘোষনার পর থেকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেড় হওয়া নিষেধ ছিলো। আর অযথা ঘুরাফেরা করা মানুষকে ঘর মুখি করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপড়তাও ছিলো চোঁখে পড়ার মতো। ১ মাসেরও বেশি সময় লকডাউন থাকার পর ঈদকে কেন্দ্র করে সরকারের নির্দেশে লকডাউন শিথিল করা হয়।

সময়ের ব্যবধানে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সকল প্রকার কারখানা, শপিংমল এমনকি গন পরিবহন গুলোর চলাচলের নির্দেশ দেয়া হয়। তবে নির্দেশ ছিলো সকল প্রকার স্বাস্থবিধি নিয়ম মেনে চলার। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পূর্বের সেই নির্দেশ এখনো বহাল রয়েছে। সেই নির্দেশের তোয়াক্কা না করে মানুষ যেনো দিন দিন অসচেতন হয়ে উঠছে। এমনকি এ শ্রেনির অসচেতন মানুষ অযথাই শহরের ফুটপাত থেকে শুরু করে শপিংমল, রেস্টুরেন্ট সহ বিভিন্ন স্থান গুলোতে ঘুরাফেরা করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের রাস্তা থেকে শুরু করে শপিংমলসহ বিভিন্ন স্থানে অযথাই ঘুরাফেরা করছে কিছু অসচেতন মানুষ। চাষাঢ়ার নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে দল বেধে বিভিন্ন গ্রুপকে আড্ডা দিতে দেখা গেছে। এছাড়াও ৫ নম্বর ঘাট থেকে বন্দর ঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের মানুষ অযথাই ঘুরাফেরা করছে।

সচেতন মহলের মতে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমন থেকে রক্ষা পেতে আগে নিজেদের সচেতন হতে হবে। কারণ এটি একটি ছোঁয়াচে ভাইরাস। রাস্তায় কোনো আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে অন্য ব্যক্তির করোনা হওয়ার আশংকা থাকে। তাই সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি বিধিনিষেদ মেনে চললেই হয়তো সংক্রমনের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। অন্যদিকে অযথা যারা বাহিরে ঘুরাফেরা করে তাদের একবার নিজের ও পরিবারের কথা চিন্তা করা প্রয়োজন। কারণ পরিবারের একজনের থেকে সকলের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাছাইকৃত সংবাদ

No posts found.