<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>মত-অমত Archives | Prime Narayanganj</title>
	<atom:link href="https://primenarayanganj.com/category/opinion/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://primenarayanganj.com/category/opinion/</link>
	<description>বিশুদ্ধ বার্তা সারাক্ষণ</description>
	<lastBuildDate>Sat, 21 Nov 2020 12:16:28 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://primenarayanganj.com/wp-content/uploads/2020/06/cropped-logo-32x32.png</url>
	<title>মত-অমত Archives | Prime Narayanganj</title>
	<link>https://primenarayanganj.com/category/opinion/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অনন্য উপায়</title>
		<link>https://primenarayanganj.com/opinion/2536/</link>
					<comments>https://primenarayanganj.com/opinion/2536/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Prime Narayanganj]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 20 Nov 2020 11:15:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মত-অমত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://primenarayanganj.net/?p=2536</guid>

					<description><![CDATA[<p>নূর মুহাম্মদ রাহমানী: আল্লাহ তায়ালা মানুষকে এ পৃথিবীতে শুধুমাত্র তাঁর ইবাদত-উপাসনার জন্য সৃষ্টি করেছেন। যাতে ইবাদত-বন্দেগি করে তাঁর যথাযথ পরিচয় লাভ করে তাঁর পরম সন্তুষ্টি লাভ করা যায়। আখেরাতের চিরস্থায়ী জীবনটাকে সুন্দর করা যায়। চির সুখময় জীবন লাভ করা যায়। আরাম-আয়েশে থাকা যায়। এজন্যই সব নবী-রাসুলগণ, সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ি, তাবে তাবেয়ি ও মহান ইমামগণ নিজেদের [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://primenarayanganj.com/opinion/2536/">আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অনন্য উপায়</a> appeared first on <a href="https://primenarayanganj.com">Prime Narayanganj</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p><strong>নূর মুহাম্মদ রাহমানী:</strong></p>



<p>আল্লাহ তায়ালা মানুষকে এ পৃথিবীতে শুধুমাত্র তাঁর ইবাদত-উপাসনার জন্য সৃষ্টি করেছেন। যাতে ইবাদত-বন্দেগি করে তাঁর যথাযথ পরিচয় লাভ করে তাঁর পরম সন্তুষ্টি লাভ করা যায়। আখেরাতের চিরস্থায়ী জীবনটাকে সুন্দর করা যায়। চির সুখময় জীবন লাভ করা যায়। আরাম-আয়েশে থাকা যায়। এজন্যই সব নবী-রাসুলগণ, সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ি, তাবে তাবেয়ি ও মহান ইমামগণ নিজেদের জীবনের সর্ব সেক্টরে সর্ব হালতে এই মহান উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেছেন। তারা চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিসহ বিভিন্ন পেশায় জড়িয়ে ছিলেন।<br></p>



<p>কিন্তু তাদের অন্তর সর্বদা আল্লাহর মহব্বত-ভালোবাসায় ডুবে থাকত। কোনো সময় আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হতো না। এ সকল মহান মনীষীদের ব্যাপারে মহান আল্লাহ বলেন, ‘এরা এমন লোক, যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর স্মরণ থেকে, নামাজ কায়েম করা থেকে এবং জাকাত প্রদান করা থেকে বিরত রাখে না।’ (সুরা নুর : ৩৭)। তারা তো ঐ সকল মহান ব্যক্তিবর্গ যারা প্রচণ্ড কনকনে শীতের রাতেও আরামের ঘুম ত্যাগ করে রবের দরবারে হাজিরা দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে যায়। এদের কথা মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বিভিন্নভাবে বর্ণনা করেছেন। </p>



<p>এক জায়গায় বলেছেন, ‘রাতের বেলা তাদের পার্শ¦দেশ বিছানা থেকে পৃথক হয়ে যায় এবং তারা নিজ প্রতিপালককে ভয় ও আশার সাথে ডাকে।’ (সুরা সাজদা : ১৬)। অন্য জায়গায় এসেছে, ‘তারা রাতের অল্প সময়ই ঘুমাত এবং তারা সাহরির সময় ইস্তেগফার করত।’ (সুরা জারিয়াত : ১৭-১৮) অর্থাৎ রাতের বেশির ভাগ সময় ইবাদতে কাটানোর পরও তারা নিজেদের আমল নিয়ে অহংকার বোধ করে না, বরং ইবাদতের ভুল-ত্রুটির ব্যাপারে চিন্তিত থাকে। ফলে শেষ রাতে আল্লাহর দরবারে বিনয় ও কাকুতি-মিনতির সঙ্গে ইস্তেগফার করে। আরেকটি আয়াতে এসেছে, ‘এবং যারা রাত্রি যাপন করে পালনকর্তার উদ্দেশে সেজদাবনত হয়ে ও দণ্ডায়মান হয়ে।’ (সুরা ফুরকান : ৬৪)। </p>



<p>সুরা জুমারে এসেছে, ‘তবে কি (এরূপ ব্যক্তি সেই ব্যক্তির সমতুল্য হতে পারে,) যে রাতের মুহূর্তগুলোতে ইবাদত করে, কখনও সেজদাবস্থায়, কখনও দাঁড়িয়ে, যে আখেরাতকে ভয় করে এবং নিজ প্রতিপালকের রহমতের আশা করে? বল, যারা জানে আর যারা জানে না উভয়ে কি সমান? কিন্তু উপদেশ গ্রহণ তো কেবল বোধসম্পন্ন ব্যক্তিরাই করে।’ (সুরা জুমার : ৯)। অন্যত্র এসেছে, ‘মহিমা ঘোষণা করুন রাত্রির কিছু অংশ ও দিবাভাগে, সম্ভবত তাতে আপনি সন্তুষ্ট হবেন।’ (সুরা তহা : ১৩০)। আরেকটি আয়াতে এসেছে, ‘(হে রাসুল!) তোমার প্রতিপালক জানেন, তুমি রাতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশে, (কখনও) রাতের এক তৃতীয়াংশে (তাহাজ্জুদের নামাজের জন্য) জাগরণ কর এবং তোমার সঙ্গীদের মধ্যেও একটি দল (এ রকম করে)।’ (সুরা মুজ্জাম্মিল : ২০)।</p>



<p>পবিত্র কোরআনে মহানবী (সা.)-কে তাহাজ্জুদ পড়ার নির্দেশ দানের সঙ্গে সঙ্গে জান্নাতের একটি উঁচু স্তর মাকামে মাহমুদ দানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে- ‘রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ আদায় করবে, এ হলো তোমার জন্য এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে প্রশংসিত স্থানে প্রতিষ্ঠিত করবেন।’ (সুরা বনি ইসরাইল : ৭৯) মাকামে মাহমুদ আখেরাত ও জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা। মাকামে মাহমুদ ও জান্নাতের সঙ্গে রয়েছে গভীর সম্পর্ক। তা শেষ দিবসে নবীজিকে দান করা হবে। কোনো বান্দা যদি নিয়মিত তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত হয় তাহলে আশা করা যায় কোনো এক পর্যায়ে হলেও আখেরাতে নবীজির সাহচর্য তার নসিব হবে।</p>



<p>তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত হওয়ার মাধ্যমে নিজ প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। আর রাতের বেলা যেহেতু পরিবেশ শান্ত থাকে, চারদিকে অভণ্ড নিরবতা বিরাজ করে তাই তখন তিলাওয়াত ও দোয়া সুন্দর ও সঠিকভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং তাতে মনোযোগও দেওয়া যায় পূর্র্ণমাত্রায়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘অবশ্যই রাত্রিকালের জাগরণ এমন যা কঠিনভাবে প্রবৃত্তি দলন করে এবং যা কথা বলার পক্ষে উত্তম।’ (সুরা মুজ্জাম্মিল : ৬)।</p>



<p>হাদিসেও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার অসংখ্য ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে ও বিভিন্নভাবে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘ফরজ নামাজের পর সর্বোৎকৃষ্ট নামাজ হলো মধ্যরাতের (তাহাজ্জুদের) নামাজ।’ (মুসলিম : ১১৬৩)। রাতের শেষাংশ দোয়া কবুলের সময়। আল্লাহর কাছ থেকে যেকোনো চাওয়াকে মঞ্জুর করানোর জন্য রাতের শেষাংশ খুবই উত্তম সময়। আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘মহামহিম আল্লাহ তায়ালা প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশ থাকাকালে নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেন- কে আছ এমন, যে আমাকে ডাকবে? আমি ডাকে সাড়া দেব। কে আছ এমন, যে আমার কাছে প্রার্থনা করবে? আমি তার প্রার্থিত বস্তু তাকে দান করব। কে আছ এমন, যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব।’ (বুখারি : ১১৪৫)।</p>



<p>তাহাজ্জুদে রয়েছে মুমিনের মর্যাদা। তাহাজ্জুদ ছাড়া কেউ নেককার হতে পারে না। কোনো ব্যক্তি নেককার আর সে তাহাজ্জুদ পড়বে না এটা হতে পারে না। এ নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। এটি আমাদের পূর্বসূরীদের নিয়মিত আমল ছিল। আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করা উচিত। কেননা তা তোমাদের পূর্বেকার সজ্জনদের প্রতীক এবং তোমাদের প্রতিপালকের নৈকট্য লাভের বিশেষ মাধ্যম। এ নামাজসমূহ পাপরাশী বিমোচনকারী।’ (তিরমিজি : ৩৫৪৯)।</p>



<p>মহানবী (সা.) তাহাজ্জুদের প্রতি অত্যধিক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তাহাজ্জুদ পড়তে পড়তে তার পদযুগল ফুলে যেত। মুগীরা ইবনে শুবা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবী (সা.) এত দীর্ঘ সময় তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করতেন যে, তাঁর পা দুটো ফুলে যেত। তাঁকে বলা হলো আপনি এত কষ্ট করছেন কেন অথচ আপনার পূর্বাপর ত্রুটিসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে (এবং কোরআনে আপনাকে সান্ত¦না দেওয়া হয়েছে) তিনি বললেন, তাই বলে কি আমি (এ মহা অনুগ্রহের জন্য অধিক ইবাদত করে শোকর আদায়কারী বান্দা হব না? (বুখারি : ৪৮৩৬)</p>



<p>নিয়মিত তাহাজ্জুদ আদায়কারীর তাহাজ্জুদ ছুটে গেলে তা কাজা করার সুযোগ রয়েছে। ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের নির্ধারিত অজিফা বা এর কোনো অংশ না পড়েই ঘুমিয়ে পড়ে, তারপর তা ফজর ও জোহরের মাঝখানে পড়ে, তার জন্য এমন সওয়াব লেখা হয় যেন সে রাতেই তা আদায় করেছে।’ (মুসলিম : ৭৪৭) রাসুল (সা.) নিজেও কোনো কারণে তাহাজ্জুদ ছুটে গেলে কাজা করে নিতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রোগব্যাধি কিংবা অন্য কোনো কারণে যদি রাসুল (সা.) তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করতে না পারতেন তবে তিনি দিনের বেলায় ১২ রাকাত আদায় করে নিতেন।’ (মুসলিম : ৭৪৬)।</p>



<p>তাহাজ্জুদ সম্পর্কে অনেকের ভুল ধারণা হলো, তাহাজ্জুদ শুধু শেষ রাতেই পড়তে হয়। হাঁ, এটা ঠিক, তাহাজ্জুদ মূলত ঘুম থেকে ওঠে নামাজ পড়ারই নাম, কিন্তু এর বাইরে হাসান বসরি (রহ.)সহ বড় বড় তাবেয়িদের মত হলো এশার পর থেকেই তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত শুরু হয়। এশার পর থেকে যেকোনো নফল নামাজ পড়া হবে তা তাহাজ্জুদ বলে গণ্য হবে এবং রাত জেগে নামাজ পড়ার সওয়াব লাভ করা যাবে। তবে এতে সন্দেহ নেই যে, ভোর রাতে আদায় করলে সে নামাজের মর্যাদা অনেক বেশি। বঞ্চিত হওয়ার চেয়ে প্রথম রাতে পড়ে নেওয়া অনেক ভালো। এশার ফরজ নামাজের পর বিতরের আগে ২/৪ রাকাত তাহাজ্জুদের নিয়তে পড়ে নেওয়া যেতে পারে।</p>



<p>তাহাজ্জুদের সর্বনিম্ন রাকাত সংখ্যা হলো দুই। সর্বোচ্চ রাকাতের কোনো সীমা নেই। হাদিসে কোনো সীমা বলা হয়নি। নবীজি (সা.) সাধারণত ৮ রাকাত পড়তেন দুই দুই রাকাত করে। তিনি বলেছেন, ‘রাতের নামাজ দুই দুই রাকাত করে।’ (তিরমিজি : ৪৩৭)।</p>



<p>রাকাত বেশি হওয়ার চেয়ে দীর্ঘায়িত করার ফজিলত বেশি। বুখারিতে এসেছে, আয়েশা (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) তাহাজ্জুদে এত দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতেন যে, মনে হয় তার পা ফেটে যাওয়ার উপক্রম হবে। আর নফল নামাজ দীর্ঘায়িত করার মধ্যেও আবার মধ্যে মূল বিষয় হলো কালামে পাকের তিলাওয়াত। এজন্য যথাসাধ্য তিলাওয়াত দীর্ঘ থেকে দীর্ঘায়িত করে নামাজটা প্রাণবন্ত করতে সচেষ্ট হওয়া।</p>



<p>জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন নামাজ উত্তম? তিনি বললেন, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা।’ (তিরমিজি : ৩৮৭)। তাই আসুন তাবলিগ, তালিম, জিহাদ, প্রশাসনসহ ধর্মীয় ইবাদত ছাড়াও দীনের খালেস ইবাদত তাহাজ্জুদ ও নফল আমলের প্রতি গুরুত্বারোপ করি। এতে আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক দৃঢ় ও ঘনিষ্ঠ হবে। অন্যান্য দীনি কাজে বরকত হবে। আল্লাহ আমাদের আমল করার তওফিক দান করুন। আমিন।</p>
<p>The post <a href="https://primenarayanganj.com/opinion/2536/">আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অনন্য উপায়</a> appeared first on <a href="https://primenarayanganj.com">Prime Narayanganj</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://primenarayanganj.com/opinion/2536/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুলিশ, প্রশাসন ও ভূমিদস্যুদের একাট্টা</title>
		<link>https://primenarayanganj.com/opinion/1779/</link>
					<comments>https://primenarayanganj.com/opinion/1779/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Prime Narayanganj]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 Oct 2020 09:25:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মত-অমত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://primenarayanganj.net/?p=1779</guid>

					<description><![CDATA[<p>তৈমূর আলম খন্দকার: বিজ্ঞানীদের মতে পরিবেশ দূষিত হওয়ার কারণে বিশ্ব আজ বিভিন্ন বিপর্জয়ের সম্মূখীন, জীব বৈচিত্র ধ্বংস হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে অধিক মাত্রায় শিল্প কারখানা গড়ে উঠায় নির্গত ধোয়ার কারণে বিশ্বের উত্তাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় মরু অঞ্চলের বরফ গলার ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে এবং প্লাবিত হচ্ছে পৃথিবীর নিম্নাঞ্চল। বাংলাদেশে বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার প্রশ্নে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://primenarayanganj.com/opinion/1779/">পুলিশ, প্রশাসন ও ভূমিদস্যুদের একাট্টা</a> appeared first on <a href="https://primenarayanganj.com">Prime Narayanganj</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p><strong>তৈমূর আলম খন্দকার:</strong></p>



<p>বিজ্ঞানীদের মতে পরিবেশ দূষিত হওয়ার কারণে বিশ্ব আজ বিভিন্ন বিপর্জয়ের সম্মূখীন, জীব বৈচিত্র ধ্বংস হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে অধিক মাত্রায় শিল্প কারখানা গড়ে উঠায় নির্গত ধোয়ার কারণে বিশ্বের উত্তাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় মরু অঞ্চলের বরফ গলার ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে এবং প্লাবিত হচ্ছে পৃথিবীর নিম্নাঞ্চল। বাংলাদেশে বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার প্রশ্নে বিশেষজ্ঞরা প্রাকৃতিক বিপর্জয়কে দায়ী করছেন। বিজ্ঞানীদের মতে মানুষের নি:শ্বাস থেকে যে কার্বন ডাঅকসাইড নির্গত হয় তা গাছ গ্রহণ করে এবং মানুষ যে অক্সিজেন গ্রহণ করে বেচে থাকে তা গাছ থেকে নির্গত হয়। সৃষ্টিকর্তা পৃথিবীকে একটি ভারসাম্য নীতিতে পরিচালনা করছেন। কিন্তু মানুষ অপরিকল্পিতভাবে প্রকৃতিকে ধ্বংস করে পরিবেশগত বিপর্জয় সৃষ্টি করছে।</p>



<p>পরিবেশকে ধ্বংস করার জন্য বাংলাদেশের একটি শ্রেণী পিছিয়ে নাই। পরিবেশকে রক্ষার জন্য সরকার সহ অনেক দেশপ্রেমিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দেশব্যাপী বৃক্ষরোপন করে চলছে। কিন্তু একটি শ্রেণী রয়েছে যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য পরিবেশকে ধ্বংস করে যাচ্ছে। তিন ফসলী জমি, জলাশয়, খাল-বিল, নদী-নালা, খাস জমি প্রভৃতি ভরাট করে পরিবেশকে করে তুলছে ভারসাম্যহীন।</p>



<p>সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন’ ২০১১ (২০১১ সনের ১৪নং আইন) এর ১২ ধারা বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮(ক) অনুচ্ছেদ সন্নিবেশিত করে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে যে, “রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যত নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষন ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র, জলাভূমি, বন ও বন্য প্রাণির সংরক্ষন ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।” পরিবেশকে সম্মুনত রাখার জন্য রাষ্ট্র সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করার দৃঢ় প্রত্যয়ে উক্ত অনুচ্ছেদটি সংবিধানে সন্নিবেশিত করেছে যা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন এবং সকলের জন্য অপরিহার্য।</p>



<p>সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৪৮(৩) মোতাবেক প্রধানমন্ত্রীই রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী যার আদেশ সকলের জন্য শিরোধার্য বটে। সরকারী ঘরনার লোকেরা প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও “রাষ্ট্র নায়ক” হিসাবে শেখ হাসিনাকে সম্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সুনজরে থাকার জন্য ব্যবসায়ী ও ব্যাংক লুটেরা বাহিনী এখন সরকারী দলের সানিধ্য পাওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত, এতে অনেকেই সফল হয়েছেন, বাকীরা আছেন পাইপ লাইনে। দোতারা বাজিয়ে দেশের ধনীক শ্রেণী ব্যবসায়ী, ব্যাংক লুটেরা, ভূমিদস্যুরা প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন বটে, কিন্তু দেশের পরিবেশ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর চাহিদার প্রতিফলন হচ্ছে না। ফলে রাষ্ট্র কাদের নিয়ন্ত্রণে চলছে তা আচ করা যাচ্ছে না। কারণ প্রধানমন্ত্রী প্রনিয়তই বলে আসছেন যে, “তিন ফসলী জমি ভরাট করা যাবে না, জমির ব্যবহার সর্তকতার সাথে করতে হবে, শিল্পাঞ্চল করার ক্ষেত্রে ফসলী জমির অপব্যবহার করা যাবে না, নদী, খাল, জলাশয় বা জলাভূমি (বিল) প্রভৃতি জমি ভরাট করা যাবে না।” পরিবেশকে রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীর উক্ত নির্দেশনা ছাড়াও (১) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন’ ১৯৯৫, (২) পরিবেশ আদালত আইন’ ২০০০, (৩) পরিবেশ সংরক্ষন বিধিমালা’ ১৯৯৭, (৪) মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরে পৌর এলাকা সহ দেশের সকল পৌর এলাকায় খেলার মাঠ, উম্মুক্ত স্থান এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষন আইন’ ২০০০, (৫) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন (সংশোধন) আইন’ ২০০০, (৬) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন (সংশোধন) আইন’ ২০০০, (৭) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন (সংশোধন) আইন’ ২০০২ বলবৎ থাকাবস্থায় ভূমিদস্যুরা নদী, নালা, তিন ফসলী জমি, পুকুর, জলাশয়, বিল প্রভৃতি ড্রেজার লাগিয়ে কৃষকদের জমি ভরাট করে ফেলছে। হাই কোর্টের নির্দেশ থাকা স্বত্বেও ভূমিদস্যুদের জমি ভরাট কাজ অব্যাহত রয়েছে। সংবাদপত্র, পুলিশ ও প্রশাসন সকলেই ভূমিদস্যুদের পকেটস্থ। এই দস্যুরা নিজেরাই একাধিক মিডিয়ার মালিক। ফলে তাদের বেতনভুক্ত কর্মচারীরা এখন মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে বিধায় জমিহারা মানুষের কান্না হয়তো দেশবাসী শুনতে পায় না।</p>



<p>সরকারের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের স্বারক নং- ৪/৭/৮৭/২০০০/৫২৭ তারিখ-২৩/০৭/২০০০ মোতাবেক পরিপত্র জারী করে স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছে যে, “বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন’ ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের ১নং আইন) এর ১৯(১) ধারায় প্রদত্ব ক্ষমতাবলে এই আইন বা বিধির বিধান লংঘন এবং পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ আদালতে দায়ের করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণকে নির্দেশক্রমে ক্ষমতা অর্পন করা হলো”। জেলা প্রশাসকদের নিকট ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিরা বার বার ধরনা দেয়া স্বত্বেও ভুক্তভোগী জনগণ কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে যে, জেলা প্রশাসন ভূমিদস্যুদের পকেটস্থ হয়ে পড়েছে।</p>



<p>সরকার কেন ভূমিদস্যুদের নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে? এর কারণ উদ্ভাবন হওয়া দরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তি। পরিবেশ দূষণ বন্ধ করার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী কি আন্তরিক নন? প্রধানমন্ত্রী যদি পরিবেশ রক্ষা তথা তিন ফসলী জমি রক্ষা, জলাভূমি রক্ষা, জলাশয়, খাল-বিল প্রভৃতি রক্ষায় সত্যিই যদি আন্তরিক হয়ে থাকেন তবে ভূমিদস্যুরা উল্লেখিত জমিতে ড্রেজার লাগিয়ে ভরাট করে ফেলছে কি ভাবে? এতো বড় আস্পর্ধা ভূমিদস্যুরা পায় কোথায়? কার নির্দেশে ভূমিদস্যুদের প্রতিহত করার জন্য আইন মোতাবেক প্রদত্ব দায়িত্ব প্রশাসন পালন করছে না? এগুলি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব কি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নাই?</p>



<p>রাজধানীর পার্শ্ববর্তী রূপগঞ্জ উপজেলা ভূমিদস্যুদের অভয় রাজ্যে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমিদস্যুদের আগ্রাসনের শিকার। রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর, ভোলাবো, রূপগঞ্জ, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন সমূহ ও কাঞ্চন পৌরসভার জমিতে যেখানে ধান চাষ হতো, পুকুর ও বিলের মাছ ধরে গ্রামবাসী আমিষের সাধ মিটাতো সেখানে এখন শুধু বালু আর বালু। রূপগঞ্জের অসহায় কৃষক জমির মালিকগণ কোথাও কোন আশ্রয় প্রশয় পাচ্ছে না। জনগণকে আশ্রয় দেয়ার জন্য যারা জনদরদীর পোষ্টার ছাপিয়ে রাত্রিকালীন ভোটে এম.পি/মন্ত্রী হয়েছে তারাও ভূমিদস্যুদের পক্ষ নিয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণ সরাসরি ভূমিদস্যুদের দালালী করছে, এ দেশে ভূমিদস্যুদের উপঠোকনের বিনিময়ে সকলেই বিবেক বিক্রি করেছে বিধায় জন প্রতিনিধি, পুলিশ, প্রশাসন ভূমিদস্যুদের আগ্রাসনের বিষয়ে প্রতিরোধ না করে দর্শকের ভূমিকা পালন করে নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্যকে ধর্ষণ করছে। ধর্ষণের মহামারীতে ভূমিদস্যুদের দ্বারা ধর্ষিত হচ্ছে দেশের পরিবেশ, ধর্ষিত হচ্ছে তিন ফসলী জমি, ধর্ষিত হচ্ছে পুকুর, জলাশয়, নদী-নালা, খাল-বিল প্রভৃতি। স্থানীয় চেয়ারম্যানরা শুধু দালালীই করছে না বরং বালু ভরাটের কাজও তাদের তদারকীতে হচ্ছে।</p>



<p>বৃট্রিশ যখন ভারতে আগমন করে তখন এই উপমহাদেশে প্রথমে একটি দালাল শ্রেণী তৈরী করে। তারপর দালালদের মাধ্যমে বিট্রিশরা ভারতের ব্যবসা-বানিজ্য দখল করে, পরবর্তীতে দালালদের উপর নির্ভর করে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজদৌল্ল্যাকে পরাজিত করে ভারতের সিংহাসন দখল করে। ঠিক অনুরূপ ভূমিদস্যুরা রূপগঞ্জে প্রথমে দালাল শ্রেণী সৃষ্টি করেছে। দালাল হিসাবে ভূমিদস্যুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/প্রাক্তন চেয়ারম্যান/মেম্বর ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কালেকশন করে তাদের ভূমিদস্যু কর্মকান্ডে অংশীদার বানিয়ে কোথাও প্রলোভন, কোথাও জুলুম অত্যাচার নির্যাতন করে জোর জবরদস্তি ড্রেজার লাগিয়ে বালু ভরাট করে ফেলছে। রূপগঞ্জ বাসী ভূমিদস্যুদের প্রতিহত করে নিজেদের ভিটা বাড়ী/জমিজমা রক্ষা করার জন্য রক্ত দিয়েছে, কিন্তু জন প্রতিনিধিদের সমর্থন পায় নাই বলে রূপগঞ্জের সন্তানদের রক্তে রূপগঞ্জের মাটি রঞ্জিত হয়েছে বটে, কিন্তু কোথাও কোথাও পৈত্রিক ভিটামাটি হারিয়ে রূপগঞ্জ বাসী এখন রোহিঙ্গাদের মত উৎবাস্তুতে পরিনত হচ্ছে।</p>



<p>পৈত্রিক ভিটামাটি রক্ষার দাবীতে ১৯৯৪ ইং সনের ১১ নভেম্বর রূপগঞ্জের জনগণ মিছিল করলে গোবিন্দুপুর নিবাসী ইউসুফ আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলাম দড়ি গুতিয়াব বাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়, ধামচি গ্রামের বুধাই এর পুত্র হামেদ আলী পুলিশের গুলিতে দু’পা হারিয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে। এছাড়াও ২৩/১০/২০১০ ইং তারিখে ভূমিদস্যুদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের জনগণ মিছিল করলে হরিনা নদীর পাড় গ্রামের মোঃ আঃ রফিকের পুত্র মোঃ জামাল হোসেন পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়, মিছিলকারীদের অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছিল। উক্ত ঘটনায় নিহত পরিবার বিচার বা আর্থিক ক্ষতিপূরন পাওয়া তো দূরের কথা সরকার থেকে তাদের জমি রক্ষার আশ্বাস পর্যন্ত দেয়া হয় নাই।</p>



<p>অতিসম্প্রতি কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বড়ালু পাড়াগাঁও, কেরানিগঞ্জ, ছাতিয়ান, মাঝিনা, কামশাইর, কায়েতপাড়া, উলাব মৌজা সমূহে ভূমিদস্যুরা বালু দ্বারা তিন ফসলী জমি, খাল-বিল ভরাট করার জন্য পাইপ স্থাপনের কাজ শুরু করার প্রতিবাদে গ্রামবাসী জেলা প্রশাসক, পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন নিবেদন জানিয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। গ্রামবাসীরা মিছিল করলে ভূমিদস্যুদের মদদে পুলিশ তা ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ভূমিকায় প্রতিয়মান হয় যে, তারা যেন ভূমিদস্যুদের পকেটস্থ, কর্মচারী, ফসলী জমি, জলাশয়, খাল-বিল রক্ষা সহ পরিবেশ রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিকা যেন তাদের কর্নকুহরে পৌছায় না।</p>



<p>সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। পরিবেশকে রক্ষার জন্য সংবিধান যেখানে নিশ্চয়তা প্রদান সহ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সেখানে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের প্রকাশ্য মদদে ভূমিদস্যুরা রাজধানীর পার্শ্ববর্তী রূপগঞ্জের পরিবেশ ধ্বংসের অভয় আরন্য সৃষ্টি করেছে। এমতাবস্থায়, এটাই কি বলা বাহুল্য যে, ভূমিদস্যুদের নিকট সংবিধান আজ অসহায় (!) প্রধানমন্ত্রী পরিবেশকে রক্ষার জন্য প্রতিনিয়ত যে ভাষন দিয়ে যাচ্ছেন তার কতটুকু বাস্তবায়ন হচ্ছে তা পরীক্ষা নিরীক্ষা বা পর্যালোচনা করা সহ খোজ খবর নেয়ার দায়িত্ব তার (প্রধানমন্ত্রীর) রয়েছে বলে কি তিনি (প্রধানমন্ত্রী) মনে করেন? বাস্তবিক ভাবেই যদি তিন ফসলী জমি রক্ষা করতে চান তবে সময় কি বয়ে যাচ্ছে না (!)</p>



<p>গ্রাম গঞ্জের ধর্ষণের অনেক ঘটনা মিডিয়াতে প্রকাশিত হয় বলে জনগণের দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। ফলে দেশবাসী পাসন্ড পশু ধর্ষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করার সূযোগ পাচ্ছে। কিন্তু রূপগঞ্জের তিন ফসলী জমি সহ পরিবেশ ধর্ষিত হওয়ার কাহিনী মিডিয়াতে আসে না, কারণ পরিবেশ ধর্ষকরা কেহ কেহ নিজেরাই মিডিয়ার মালিক। কবি বলেছেন যে, “মরিতে চাহিনা আমি এ সুন্দর ভূবনে।” কিন্তু সবল যখন দূর্বলের অধিকার ছিনিয়ে নেয়ার মাধ্যমে অযাচিত ধর্ষণ করে এবং এর যখন কোন প্রতিবাদ হয় না, তখন এই সুন্দর পৃথিবীর চেহারাটা অত্যান্ত কুৎসিত মনে হয়। জমিহারা ভূমিহারা মানুষের নিকট এখন মনে হয় তারা সত্যই অসহায়। কারণ রূপগঞ্জ উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বালু ভরাটের উপরে মহামান্য হাই কোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বত্বেও জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও পুলিশের পৃষ্ঠপোষকতায় জমি ভরাট অব্যাহত রয়েছে, মিডিয়া যার নিরব দর্শক।</p>



<p><strong>লেখক: রাজনীতিক, কলামিষ্ট ও আইনজীবি (এ্যাপিলেট ডিভিশন)</strong></p>
<p>The post <a href="https://primenarayanganj.com/opinion/1779/">পুলিশ, প্রশাসন ও ভূমিদস্যুদের একাট্টা</a> appeared first on <a href="https://primenarayanganj.com">Prime Narayanganj</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://primenarayanganj.com/opinion/1779/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রিকশা চালক আর অফিসার</title>
		<link>https://primenarayanganj.com/opinion/1444/</link>
					<comments>https://primenarayanganj.com/opinion/1444/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Prime Narayanganj]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Sep 2020 12:39:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মত-অমত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://primenarayanganj.net/?p=1444</guid>

					<description><![CDATA[<p>কাজটা সম্পূর্ণ করার জন্য চেয়ারে বসা কর্তব্যরত লোকটি টাকা নিয়েছে। এরপর সীল-স্বাক্ষর শুরু হয়। তবে হঠাৎ কাজ বন্ধ করে চেয়ার ছেড়ে উঠে যায় সে। সামনে বসা ভুক্তভোগী ভাবলো, বোধহয় কম দেয়া হয়েছে। তাই কাজ শেষ না করেই উঠে যাচ্ছে। সে প্রশ্ন করলো, ভাই কাজটা শেষ করে যান &#8212;&#8212; এ কথা বলতে না বলতেই প্রচন্ড রেগে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://primenarayanganj.com/opinion/1444/">রিকশা চালক আর অফিসার</a> appeared first on <a href="https://primenarayanganj.com">Prime Narayanganj</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p><strong>কাজটা সম্পূর্ণ করার জন্য চেয়ারে বসা কর্তব্যরত লোকটি টাকা নিয়েছে। এরপর সীল-স্বাক্ষর শুরু হয়। তবে হঠাৎ কাজ বন্ধ করে চেয়ার ছেড়ে উঠে যায় সে। সামনে বসা ভুক্তভোগী ভাবলো, বোধহয় কম দেয়া হয়েছে। তাই কাজ শেষ না করেই উঠে যাচ্ছে। সে প্রশ্ন করলো, ভাই কাজটা শেষ করে যান &#8212;&#8212; এ কথা বলতে না বলতেই প্রচন্ড রেগে গেলো একটু আগে ঘুষ নেয়া মানুষটি! ভুক্তভোগীকে উদ্দেশ্য করে বলে &#8211; ‘আপনি কি মুসলমান ? শুনেন না আযান দিছে। আগে নামাজ, পরে কাজ।’<br>ভুক্তভোগী একদম চুপ! মুখে কোন রা’ নেই। বেচারার মনে প্রশ্ন জাগে ‘ঘুষ যে নিলো’ ?</strong></p>



<p>একদিন এক সভায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন, ‘ঘুষ নেয়া অন্যায়’। কিন্তু সভায় যারা এসেছিলেন তারা কি গান্ধীর এ বাণী ঠিকভাবে শুনেছেন ? অনেকেই কৌতুক করে বলেন, সেদিন সেখানে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নাকি বাক্যটি শুনেছেন এভাবে- ঘুষ নেয়া ‘অন্য আয়’। আর সে কারণেই নাকি ঘুষের পরম্পরা থেকে গেছে! কারও কারও অভিযোগ থাকতে পারে কৌতুকে গান্ধীর ঘুষ বিষয়ক বাণী বিকৃত করা হয়েছে। তবে এ চিত্র যে সব সময়ের বাস্তবতা তা কেউ অস্বীকার করতে পারবেন কি ?</p>



<blockquote class="wp-block-quote is-style-large is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>সেদিন এক ব্যক্তি বললো, একটি ডিপার্টমেন্টের একজন কর্মকর্তার জীবন শুরু হয়েছিলো ৪র্থ শ্রেনী দিয়ে। পরে অফিসার হয়ে তিনি অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ শহরের আশপাশেই তার তিনটি বাড়ি রয়েছে। গাড়ি হাঁকিয়ে চলেন অনেক দিন ধরে। এক সন্তান পৃথিবীর উন্নত একটি রাষ্ট্রে বাস করে। এত কিছু হওয়ার পর ওই ব্যক্তি এবং আরও অনেকে ওই কর্মকর্তাকে বলেছিলো, ‘ ভাই আগে যা করেছেন এখন তা বাদ দেন। আপনার অনেক সম্পদ। এত টাকা কে খাবে ? এখন তওবা করে সুপথে ফিরুন’। তাদের কারও কথাই পাত্তা দেয়নি ওই কর্মকর্তা। তিনি তার মতো করেই চলতে থাকেন। তবে ওই কর্মকর্তাকে থামতে হয়েছিলো দুদকের অভিযানে। দুদক টিম হাতেনাতে ঘুষ সহ তাকে গ্রেপ্তার করে। কিছু দিন জেল খেটে এখন জামিনে আছেন।</p></blockquote>



<p>কথায় কথায় একজন শত কোটিপতি একদিন আমাকে বলে, ‘ ভাইরে টাকায় সুখ নেই। যার টাকা কম সেই সুখী’। তিনি আরও বললেন, ‘ এক সময়ে এক বেলা খাবার জুটলে আরেক বেলার নিশ্চয়তা ছিলো না। এখন অনেক টাকার মালিক তবে শান্তি নেই’। ভেবেছিলাম লোকটা হয়তো ভালো হয়ে গেছে তাই অনুশোচনায় এসব কথা বলছে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখলাম- মোটেই ভালো হয়নি। আগের মতোই যা খুশী তা করছে।</p>



<p>মানুষ মুখে বলে এক করে আরেক। বক্তৃতায় আর টক শো’তে অনেকেই সাধু কথা বলে হিরো সাজে। বাস্তবে কে কী, তা কিন্তু মানুষের জানা। যদিও মানুষের কথাও হরেক রকম হয়। যেমন এলাকায় কেউ একজন সন্ত্রাসী টাইপের। তাকে সবাই মন্দ লোক বলেই জানে। তবে কেউ কেউ আলাপচারিতায় ওই সন্ত্রাসীর নাম নিয়ে বলে, ‘ ও তেমন মন্দ লোক নয়। কর সাথে কী করছে জানি না তবে সে আমাদের সাথে কখনও খারাপ ব্যবহার করেনি।’</p>



<p>ইতিহাসের পাতায় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভিলেন এডলফ হিটলার। সে তার বাহিনীকে বলতো ‘ সন্ত্রাস, নাশকতা, হত্যা এবং বিস্ময়ের মধ্য দিয়ে শত্রুর মনোবল ভেঙে দাও, এটাই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ’।</p>



<p>ভবিষ্যত সম্বন্ধে হিটলার কতটুকু ধারণা রাখতো তা তার করুণ সমাপ্তি জানলেই যে কেউ বুঝতে পারবে। তবে অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ থেকে ক্ষমতাবানরাও সন্ত্রাসের পক্ষে চলে যায়। ক্ষমতাবানরা তাদের স্বার্থে সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে আর সাধারণ না বুঝে করে। চাঞ্চল্যকর ৭ খুন মামলার মাস্টার মাইন্ড নূর হোসেন আগে থেকেই নানা অপকর্ম করতো। এরপরও ২০১১ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জনতা তাকে ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত করে। মানুষ কাকে কেন ভোট দেয়, এ প্রশ্ন খুব সহজ হলেও উত্তর বেশ কঠিন। যোগ্যতম ব্যক্তিকে এড়িয়ে অযোগ্যকে নির্বাচিত করার অনেক ঘটনা ঘটেছে। যোগ্য হওয়া আর ভোটারের দৃষ্টি কাড়া এক নয়।</p>



<p>নারায়ণগঞ্জ শহরে সড়ক পার হওয়া জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ বলে মনে হয়। বিশেষ করে চাষাঢ়া গোল চত্বরে রোডের এপার ওপার হতে গিয়ে বেশ চিন্তায় পরতে হয়। এদিক থেকে বাস আসছে তো ওদিক থেকে ট্রাক-কভার্ডভ্যান আবার আরেক দিক থেকে সিএনজি কিংবা নানা রকম রিকশা। এরমধ্যে হুট করে একাধিক মোটর সাইকেল না দেখতেই চলে আসে। অধিকাংশ মোটরসাইকেলে বসা আরোহী তরুণ বয়সী। যারা এমনি এমনিই শহরে ঘুরে ! সড়ক জ্যাম থাকলে ফুটপাতে উঠিয়ে দেয় ৩ চাকার বাহনটি।</p>



<p>এসবের মধ্যে দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পার হতে হয়। ট্রাফিক পুলিশ দিনভর চেষ্টা করে যানবাহনকে সঠিক পথে চালাতে। কমিউনিটি পুলিশ রিকশা, সিএনজি সামলাতে ব্যস্ত। &#8212; তবে মানুষ কীভাবে সড়ক পার হবে তা নিয়ে কারও ভাবনা নেই। এ চিন্তা শুধু পথিকের। অনেক্ষন দাঁড়িয়েও সড়ক পার হতে গিয়ে নানা ধকল সামলাতে হয়। সড়ক ফাঁকা দেখে কেউ যে -না পার হতে উদ্যোগ নিলেন এমনিই দেখা গেলো দূরের রিকশা চালক দাঁড়িয়ে জোরে প্যাডেল দেয়া শুরু করেছে। এতক্ষন বসে প্যাডেল দিলেও মানুষ পারাপার দেখে দাঁড়িয়ে জোরে রিকশা চালানো শুরু করে সে। তার মানে পথিক পারাপারে সে কোন প্রকার সহযোগীতা করবে না, থামবে না।</p>



<p>রিকশা চালকের মতো সমাজের এক শ্রেনীর লোভী মানুষও থামে না। রিকশা চালক না হয় তার কর্তব্য অনুধাবন করতে পারে না। অন্যরাতো লেখাপড়া শিখে চাকরী করছে। তারা কেন থামে না&#8212;&#8211; ? ? তারা কেন রিকশা চালকের মতোই প্যাডেল দিয়েই চলছে !</p>



<p></p>



<blockquote class="wp-block-quote is-style-default is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p><strong>লেখকঃ</strong><span style="font-size: inherit;"> </span><strong style="font-size: inherit;"> আনোয়ার হাসান</strong></p><p>বার্তা সম্পাদক, দৈনিক সংবাদচর্চা</p><p>ও  নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা, আরটিভি।</p></blockquote>
<p>The post <a href="https://primenarayanganj.com/opinion/1444/">রিকশা চালক আর অফিসার</a> appeared first on <a href="https://primenarayanganj.com">Prime Narayanganj</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://primenarayanganj.com/opinion/1444/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
